![]() |
| গোলের উচ্ছাস সঞ্জু,রফিকদের। ছবি আইএসএল। |
প্রথম আইএসএল জিতে নিল অ্যাথলেটিকো
দে কোলকাতা। আর তার সাথে সাথে এটা
আবার প্রমান হয়ে গেল ভারতের ফুটবলে এখনও কোলকাতাই সেরা।
কেরালা
আর কোলকাতা আইএসএল-এর ফাইনালে ওঠায় মাঠের লড়াইয়ের বাইরে আরেকটা সমীকরণ শুরু হয়ে
গিয়েছিল। সেটা হল সৌরভ আর সচিনের ঠান্ডা লড়াই। এমনকি সৌরভ নিজেও জানিয়েছিলেন, “মাঠে দু’জনে একসাথে খেলেছি। এবার বাইরে আমরা
প্রতিপক্ষ”। আর সেই লড়াইয়ে সচিনের কেরল
ব্লাস্টার্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করলো দাদার অ্যাথলেটিকো দে কোলকাতা। ৯০মিনিট গোল শুন্য থাকার পর খেলা যখন
অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের শেষ মুহুর্তে রফিকের জয় সূচক গোলে স্বপ্নের জয় পেল কলকাতা।
![]() |
দাদার দাদাগিরি।
|
![]() |
| চ্যাম্পিয়ন ট্রফি হাতে ম্যাচের নায়ক মহঃ রফিক। ছবি আইএসএল। |
ভারতে এই প্রথম কোনও ট্যুর্নামেন্ট যেখানে বিশ্ব ফুটবলের বহু শীর্ষ তারকারা
খেলতে দেখা গেল। গোটা ট্যুর্নামেন্ট জুড়েই বিদেশি তারকারা নানা ঝলক দেখালেও ওস্তাদের
মার যে শেষ রাতে তা দেখিয়ে দিলেন এক বাঙালি সন্তান। ৭৩ মিনিট নাগাদ এক মোক্ষম চাল
চালেন কোলকাতার কোচ হাবাস। মহঃ রফি কে তুলে মাঠে নামান ট্যুর্নামেন্টে একটা ম্যাচও
না খেলা মহঃ রফিক কে। আর ইনজুরি টাইমে এই রফিকের করা গোলেই শেষ
হাসি হাসল হাবাস ব্রিগেড।
![]() |
চ্যাম্পিয়ন। টিম অ্যাটলেটিকো দে কোলকাতা। ছবি
আইএসএল।
|
আজকের এই জয়ে
আরেকজনের অবদানও অনস্বীকার্য। তিনি হলেন অ্যাথলেটিকোর ‘লাস্ট ম্যান অব ডিফেন্স’ এডেল বেটে। অ্যাথলেটিকোর
গোল পোস্টের নীচে অনবদ্য বেটে। মেহতাব-ইস্ফাক-হিউমদের মুহুর মুহুর অ্যাটাকগুলি সব
বাঁধা টপকালেও বেটে নামক প্রাচীরকে একবারও টপকাতে পারেনি। ৭৯ মিনিটে মাইকেল চোপড়ার
পেনল্টি বক্সের মধ্যে থেকে করা নিশ্চিত গোলের শট কে অবিশ্বাস্যভাবে প্রতিহত করেন
তিনি। এই গোল টা সেভ না হলে হয়তো ম্যাচের রেসাল্ট অন্যরকম হত।
![]() |
শ্যাম্পেন খুলে জয়ের কলকাতার। ছবি আইএসএল।
|
টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বেটে আর সুপার সাব
রফিকের যুগলবন্দিতে সচিন-সৌরভ দ্বৈরথে শেষ হাসি হাসলেন প্রিন্স অব কোলকাতাই।





0 comments: