বুব্লাই এক দম সবজী খেতে চায়না। এই
নিয়ে অলকার ঝামেলার শেষ নেই। এই ছোট থেকেই যদি খাওয়ারে এত বায়না করে তাহলে
তো মুস্কিল। তার খালি চাই চটপটা মুখরোচক সব জিনিস। যার বেশির ভাগটাই শরীরের জন্য
কাজের নয়। কি করে যে সামলাবে এই সমস্যাকে। এই সব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতেই দরজার বেল
বাজল। ওমা বড়দি তুমি! কি ঠিক সময়েই না এসেছো। দিদিকে বসিয়ে চা দিয়ে অলকা খুলে বলল
সমস্যার কথা। আর সঙ্গে সঙ্গে দিদিও হাজির সমাধানের ঝুলি নিয়ে। চট জলদি জেনে নেওয়া
গেলো কিছু টিপস। উফ নিশ্চিন্ত! খাওয়া নিয়ে এই রোজের ঝামেলার হাত থকে মুক্তি।
উপকরণ
সময়: ৩০ মিনিট
আটা - ২ কাপ
নুন – ১ চা চামচ
জল – পরিমাণ মতো
তেল - ভাজার জন্য
পুরের জন্য
ফুলকপি- খুব ভালো করে কুচানো
আদা-রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ
জোয়ান – ১ চা চামচ
গোটা জিরা – ১ চা চামচ
লঙ্কা - ২টো
হলুদ - ১চা চামচ
গরমমশলা - ১ টেবিল চামচ
তেল - ভাজার জন্য
আমচুর পাউডার - ১চা চামচ
নুন – আন্দাজ মতো
নুন – ১ চা চামচ
জল – পরিমাণ মতো
তেল - ভাজার জন্য
পুরের জন্য
ফুলকপি- খুব ভালো করে কুচানো
আদা-রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ
জোয়ান – ১ চা চামচ
গোটা জিরা – ১ চা চামচ
লঙ্কা - ২টো
হলুদ - ১চা চামচ
গরমমশলা - ১ টেবিল চামচ
তেল - ভাজার জন্য
আমচুর পাউডার - ১চা চামচ
নুন – আন্দাজ মতো
প্রণালী
প্রথমে আটার মধ্যে নুন দিয়ে
ভালোভাবে জল দিয়ে মেখে নিন। মাখাটা খুব নরম হতে হবে। এর মধ্যে কিছুটা তেল মাখিয়ে
রেখে দিন। তা হলে নরম থাকবে। এবার ফুলকপিটা ভালো করে কুচি কুচি করে কেটে নিন। তেলে
মৌরি ও জিরা ফোড়ন দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। এবার ওর মধ্যে হলুদ,আদা-রসুন
বাটা ও লঙ্কা কুচি দিয়ে খুব সামান্য সময় নাড়াচাড়া করুন। এবার কুচোনো
ফুলকপিটা দিয়ে দিন। নুন,গরমমশলা,আমচুর
পাউডার দিন। ভালো করে সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।
এবার মাখা আটা থেকে ছোটো ছোটো লেচি
বানিয়ে তার মধ্যে ফুলকপির পুর ভরে গোল গোল করে বেলে নিতে হবে। এবার তাওয়াতে তেল
দিয়ে পরোটার মতো ভাজে নিলেই তৈরি “ফুল পরটা”।
**************
![]() |
ছবি ও লেখাঃ সাবিতা দাশগুপ্ত
|
[লেখক
পরিচিতি: দীর্ঘ চাকুরী জীবনের পরে এখন উপভোগ করছেন অখণ্ড অবসর। তারি
ফাঁকে ভালবাসেন রান্না নিয়ে নানা রকম পরীক্ষা- নিরীক্ষা করতে। বাংলাZine-এর অনুরোধে
ভাগ করে নিলেন সেই সব রান্না ও তার অভিজ্ঞতা।]


0 comments: