শিরোনাম

কাছাকাছি ঘুরে আসি: মুকুট মনিপুর

শীত দরজায় কড়া নাড়ছে,মনোরম অবোহাওয়া, বাঙ্গালীর মন উরু উরু। হাতে যদি লম্বা ছুটি না থাকে, প্রিয়জনকে নিয়ে দুদিনের ছুটিতে ঘুরে আসাই যায় মুকুট মনিপুর। বাঁকুড়ার বিষ্নুপুর থেকে ৮২ কিমি দূরে মুকুট মনিপুর হতেই পারে আপনার উইকেণ্ড গেটওয়ে। কুমারী ও কংসাবতী নদীর সংগমস্থলে সৃষ্টি হয়েছে এক সুবিশাল জলাধার, যা মুকুট মনিপুরের মূল আকর্ষণ। শান্ত, নিঝুম, শহর থেকে দূরে, দূষণ মুক্ত পরিবেশের টানে টুরিস্টরা ছুটে আসে এখানে। আর এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে উপভোগ করার সবচেয়ে সহজ উপায়টি হল জলাধারে একটা নৌকা নিয়ে বেড়িয়ে পরা।
মুকুট মনিপুরের কাছেই আরও কিছু দ্রষ্টব্য স্থান আছে। কাছেই কংসাবতী নদীর তীরে ঝিলিমিলি জঙ্গল মহল।এছাড়া, একটি গাড়ি ভাড়া করে আশেপাশের দ্রষ্টব্য গুলিও ঘুরে নেওয়া যায়ে যেমন আম্বিকা মায়ের মন্দির, ভৈরব শিবের মন্দির, জৈন তীর্থংকর ঋষভদেবের পাথরের মূর্তি, রানিবাধ এবং বনপুকুরিয়া ডিয়ার পার্ক।

কি ভাবে যাবেন?
কলকাতা থেকে ট্রেনে সরাসরি বাঁকুড়া পৌঁছে যাওয়া যায়।ট্রেনে প্রায় ৪ ঘণ্টার মত সময় লাগে।বাঁকুড়া থেকে মুকুট মনিপুরের দূরত্ব ৫৬কিমি। প্রতি ঘণ্টাতে বাস ছাড়ে, পৌঁছাতে লাগে ২ ঘণ্টা। 
এছাড়া ধর্মতলা থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণের বাসও সরাসরি মুকুট মনিপুর যাচ্ছে। সময় লাগেপ্রায়৭/৮ঘণ্টা।
কোথায় থাকবেন?

পঞ্চ পল্লী ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স (৯৪৩৪৫৯০৩৯৯, ৯৯৩২৮০০৯৩১), সোনা ঝুরি বন বাংলো (৯৪৩৪২০৮৭৬৭), হোটেল আম্রপালি (৯৪৩৪০১৪২০০),পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়নের রিসট, এছাড়া আর অনেক ছোট বড় হোটেল আছে। 

0 comments: