শিরোনাম

রুই রায়তা

ঠক করে মাছের ব্যাগটা টেবিলে রেখে পরমার উদ্দেশ্যে জয় বলল, বুঝলে কাল যা খাওয়া হলনা ঊফ!! আজ অফিস জাওয়ার আগে হাল্কা কিছু করো তো। বাজারের ব্যাগে উঁকি দিয়ে পরমা পড়ল চিন্তায়। জয় এনেছে রুই মাছ। এই দিয়ে কি হাল্কা বানাবে? তার ওপর যদি খেতে বাজে হয় তো হয়ে গেলো। ফ্রিজের ডালা খুলে কি কি আছে দেখতে দেখতেই মাথায় খেলে গেল নতুন রেসিপি। দেখা যাক কি হয়। অফিস জাওয়ার আগে খাওয়ার পাতে হাত চাটতে চাটতে জয় বলল, নতুন রেসিপিটা কিন্তু তোমার বেশ হয়েছে। তুলতুলিও বাবাকে সমর্থন জানিয়ে জানতে চাইল কি নাম গো মা রান্নাটার? পরমা লাজুক মুখে বলল এখনও কিছু ভাবিনি। জয় বলল, তা হলে রুই রায়তা নাম টা কেমন বলো? মা মেয়ে এক সাথেই বলে উঠল দারুণ। মেয়ে স্বামীকে বাইরে পাঠিয়ে চটপট খাতা নিয়ে বসে গেল পরমা। রেসিপিটা লিখে রাখতে হবে তো!  
উপকরণ                                              সময়: ৩০ মিনিট
রুই মাছ - ২০০ গ্রাম।
তেঁতুলের গাড় রস - ১ টেবিল চামচ।
সাদা সরষের গুঁড়ো - ২ চা চামচ।
দৈ - ১০০ গ্রাম।
নুন প্রয়োজন মত।
গুঁড়ো চিনি - দেড় টেবিল চামচ।
ঠাণ্ডা দুধ ১০০ গ্রাম।

প্রণালী
সবার আগে দৈ  কাপড়ের টুকরোয় বেঁধে ঝুলিয়ে রেখে দিন। রুই মাছ ছোটো ছোটো টুকরো করে পিস করুন। এবার তেঁতুলের রসে হাফ কাপ জল দিয়ে ভাল করে গুলে নিন মিশ্রণটি জেন গাড় হয়। এইবার মিশ্রণে মাছের টুকরো দিয়ে সেদ্ধ করুন। এইবার ঝুলিয়ে রাখা দৈ  থেকে জল ঝরে গেলে ঠাণ্ডা দুধের সঙ্গে ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবারে একটা পাত্রে দৈচিনি,নুন, সরষের গুঁড়ো সব একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। এবারে তেঁতুল জল থেকে মাছ তুলে দৈয়ের মধ্যে ডুবিয়ে ঠাণ্ডা করে খেতে দিন। ইচ্ছে হলে ধনেপাতা কুচি এবং চাট মশলা ওপরে ছড়িয়ে দিতে পারেন।
*********************
ছবি ও লেখাঃ সাবিতা দাশগুপ্ত

 [পরিচিতি: দীর্ঘ চাকুরী জীবনের পরে এখন উপভোগ করছেন অখণ্ড অবসর। তারি ফাঁকে ভালবাসেন রান্না নিয়ে নানা রকম পরীক্ষা- নিরীক্ষা করতে। বাংলাZine-এর অনুরোধে ভাগ করে নিলেন সেই সব রান্না ও তার অভিজ্ঞতা।]

0 comments: