৩১) উৎকল-
কথিত,এখানে পড়েছিল সতীর
নাভিদেশ। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের কাছেই এই শক্তি পীঠ। দেবীর নাম এখানে বিমলা এবং
শিব পূজিত হন জগন্নাথ রূপে।
৩২) বোলপুর-
কোপাই নদীর তীর নাকি পড়েছিল সতীর কঙ্কাল। দেবী এখানে দেব গর্ভ। শিবের নাম রুরু।
৩৩) কাল
মাধব- এখানে পড়েছিল সতীর ডান দিকের নিতম্ব। অসমে অবস্থিত শক্তি পীঠ। দেবী দুর্গা
এখানে কালী। শিব পূজিত হন অসিতা নন্দ রূপে।
৩৪) শোণ-
মধ্যপ্রদেশের শোণ নদীর তীরে পড়েছিল সতীর বাঁ দিকের নিতম্ব। দেবী এখানে পূজিত হন
নর্মদা এবং শিব পূজিত হন ভদ্র সেন পরিচয়ে।
৩৫) কামাখ্যা- পুরাণ বলে,এখানে দেবীর যোনি পড়েছিল। অসমের গুয়াহাটিতে
ব্রহ্ম পুত্র নদীর তীরে নীলাচল পাহাড়ের উপরে দেবী কামাখ্যার মন্দির। দেবীর নামও
এখানে কামাখ্যা। জাগ্রত এই মন্দিরের কাছেই ব্রহ্ম পুত্রের চরে আছে উমানন্দ মন্দির।
শিবের নাম এখানে উমানন্দ।
৩৬) নেপাল- নেপালে
অবস্থিত এই পিঠ। দেবীর দুই হাঁটু পড়ে এখানে। দেবী এখানে মহশিরা। শিব হলেন কাপালি।
৩৭) শ্রী
হট্ট- শ্রী হট্ট বা সিলেট-এ একাধিক শক্তি পীঠ আছে। দেবীর ঘাড়ের পাশাপাশি পড়েছিল
বাঁ থাই। দেবী এখানে জয়ন্তী এবং শিব কর্মধীশ্বর।
৩৮) পাটনা-
এখানে নাকি পড়েছিল সতীর ডানদিকের থাই। দেবী এখানে সর্ব নন্দোদরী। শিব হলেন
ব্যোমকেশ।
৩৯)
ত্রিপুরা- সতীর নাম এখানে ত্রিপুরা সুন্দরী। শিব হলেন ত্রিপুরেশ্বর। কথিত আছে, দেবীর ডান দিকের পায়ের পাতা পড়েছিল এখানে।
৪০) ক্ষীর
গ্রাম- সতী এখানে যোগদায়া। শিবের নাম ক্ষীর কান্ত। বর্ধমানে অবস্থিত এই গ্রামে
পড়েছিল সতীর আঙুল-সহ ডান পায়ের পাতা।

0 comments: