![]() |
| ছবি- আই এস এল |
আইএসএল-এ এক নম্বর বনাম ছ-নম্বর দলের লড়াই তে,হোম টাউনে কোলকাতাই ছিল ফেবারিট। কিন্তু যত খেলা এগিয়েছে বোঝা গেছে লড়াইটা
হবে সেয়ানে সেয়ানে। খেলার ৩০ মিনিটেও গোলের কোন সম্ভাবনাই দেখা যায়নি। ডেভিড
কলম্বার পাঠানো বলের সঠিক ব্যাবহার করে ডুডু। ফলস্বরূপ ৩৫ মিনিটে ডুডুর হেডে গোলের
খাতা খুলল পুণে। গোল শোধ করতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েও প্রতি পদে ব্যর্থ হয় কোলকাতা।
এক্সট্রা ২ মিনিট সময়ও মাঠে মারা যায় কোলকাতার। বিরতির আগে ডুডুর নিশ্চিত গোল থেকে
বাঁচান শুভাশিস।
বিরতির পরে আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে পুণে। কার্যত
অকেজো হয়ে পরে হাবাসের তুরুপের তাস ফিকরু। একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় লোবোর শট।
আজ অনেক বেশি পরিকল্পনা মাফিক খেলা দেখা গেছে পুণে দলের মধ্যে। ফিকরুর অপেক্ষাকৃত
দুর্বল বাই সাইকেল কিক সোজা ধরা পরে অরিন্দমের হাতে। কোস্তাস-এর বিশ্বমানের কিকে ৫৫মিনিটে
দ্বিতীয় গোল পায় পুণে সিটি। নিঃস্তব্দ
যুবভারতীর গ্যালারিতে এই প্রথম হতাশ দেখা যায় সৌরভ গাঙ্গুলিকে। জবরদস্ত টক্করের
খেলা অনেকটাই একপেশে নিয়ে যায় পুণে বাহিনী। ৬২ মিনিটে ম্যাচ বাঁচানোর সহজ সুযোগ
নষ্ট করে গার্সিয়ার। ৬৭ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখলেন ইজরায়েল গুরুং। মাঝে মধ্যে
সুযোগ তৈরি হলেও,কোন মতেই ভাগ্য সঙ্গ দিচ্ছিলনা কলকাতার।
ফিকরুকে আঘাত করার জন্য রেফারি হলুদ কার্ড দেখান অরিন্দমকে। ফলে ৮৪ মিনিটে
পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি সন্তোষ কুমার। পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে গোল ব্যবধান
কমান ফিকরুর। ৮৯ মিনিটে গোল করে পুণে আবার সেই গোলের ব্যবধান বাড়িয়ে দেয়।কলম্বার
ফ্রি কিকে ৩-১ করে পুণে কোলকাতার বিরুদ্ধে। এক্সট্রা ৬ মিনিট কাজে দিলনা কোলকাতাকে
বাঁচতে। অবশেষে,আইএসএল-এ
প্রথম হারের মুখ দেখল অ্যাটলেটিকো
কলকাতা।
কলকাতা-১(ফিকরু-পেনাল্টি ৮৪ মিঃ)
পুণে-৩(ডুডু-৩৫মিঃ,কোস্তাস-৫৫মিঃ,কলম্বা-৮৯ মিঃ)

0 comments: