এর আগেও বলের আঘাতে পৃথিবী ছেড়েছে বহু তাজা প্রাণ।
খেলার ভালোবাসায় মাঠে নেমে মৃত্যুর দেশে পাড়ি দেওয়ার এমন মহা বিয়োগান্ত ঘটনা
নিয়মিত ঘটে না মোটে। কিন্তু ইতিহাস বলছে, ক্রিকেটাররা আসলে
মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েই দেশের জার্সি শরীরে তুলে নামেন মাঠে। গত বছর পাকিস্তানী যুবা
জুলফিকার ভাট্টি কে বুকে বলের আগাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব।
তারপর ভাট্টি –র আর খেলার মাঠে ফেরা হলনা।
১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের মাত্র ১৭ বছরের আব্দুল আজিজ বুকে বলের আঘাত পাবার চার দিন
পরে মারা যান। ২০১৩ সালেই দক্ষিণ আফ্রিকার ৩২ বছরের অভিজ্ঞ ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেটার
ড্যারেন র্যান্ডাল মাথার পাশে আঘাত পেয়ে জীবন হারান।
১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে লিগের খেলাতে
বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে কখনো সম্ভব হবে না রমন লাম্বার মৃত্যুর কথা ভোলা। ইতিহাস
বলছে বলের আঘাতে ক্রিকেট মাঠ থেকে মৃত্যুর দেশে চলে যাওয়া প্রথম ক্রিকেটারের নাম
জর্জ সামার্স। ঘটনাটা ১৮৭০ সালের। ১৯ জুন লর্ডসে জন প্লাটসের একটি শর্ট ডেলিভারির
শিকার হন জর্জ। আর হেলমেট তো তখন থাকার প্রশ্নই আসে না। হাসপাতালেও যাননি জর্জ।
ট্রেনে করে ফিরে যান নটিংহামে। কিন্তু এই ইনজুরিই চার দিন পর পৃথিবী থেকে কেড়ে
নিয়ে যায় তাঁকে। ২১ জুন ছিল জর্জের ২৫ পেরিয়ে ২৬ হওয়ার দিন। হিউজ যেমন জন্মদিন
পালনের দরজায় দাঁড়িয়েও মাঠ থেকে চির দিনের জন্য হারিয়ে গেলেন। ৩০ জুন ২৬ শেষ হতো
তাঁর। আনন্দদায়ক খেলার ভিড়ে ফাঁদ পেতে থাকা মৃত্যু কখন যে কাকে গ্রাস করবে কেউ
জানেনা।

0 comments: