![]() |
শিল্পীর তুলিতে প্রথম থ্যাঙ্কস গিভিং-এর ছবি
|
১৬২০ সালে ‘মে ফ্লাওয়ার’ নামের এক জাহাজে চড়ে ১০২ জন নানা ধর্মের
মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম চর্চা করার জন্য ইংল্যান্ড ছেড়ে নতুন আশ্রয়ের সন্ধানে
বের হন। বেশ কিছু মাস পরে ম্যাসাচুসেটস বেতে এসে থামেন অভিযাত্রীরা। কিন্তু ততদিনে
যাত্রীদের অনেকেই অর্ধাহারে ও শীতের কোপে অসুস্থ। যারা সুস্থ ছিলেন তারা জাহাজ
থেকে তীরে নামেন এবং ওখানেই প্লিমথ নামে একটি গ্রাম গড়ে তোলেন। স্কোয়ান্তো নামের
এক উপজাতি আমেরিকান ইন্ডিয়ানের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। প্লিমথ বাসিদের সাথে
পরিচয় হয় স্কোয়ান্তোদের। গড়ে ওঠে এক
বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক। স্কোয়ান্তো উপজাতিরা তাদের নিজে হাতে শিখিয়ে দেয়
কিভাবে কর্ন চাষ,মাছ ধরা ওঁ ম্যাপল গাছ থেকে রস সংগ্রহের
উপায়।
![]() |
পরিবারের সকলের সাথে
থ্যাঙ্কস গিভিং পালন
|
১৬২১ সালের নভেম্বরে প্লিমথবাসী তাদের উৎপাদিত শস্য কর্ন নিজেদের ঘরে
তুলতে পেরেছিল। সেই বছর কর্নের ফলন ভাল হওয়ার জন্য গভর্নর উইলিয়াম সব আদিবাসী এবং
নতুন প্লিমথবাসীর সৌজন্যে ভূরিভোজের আয়োজন করেন। ওই অনুষ্ঠানে সবাই ঈশ্বর ও একে
অপরের প্রতি ধন্যবাদ জানান। এই অনুষ্ঠানটি আমেরিকার প্রথম থ্যাংকস গিভিং ডে হিসেবে
স্বীকৃতি পায়।
![]() |
| থ্যাঙ্কস গিভিং উপলক্ষে উৎসবের আমেজ নিউইয়র্ক শহরে |
প্রতি বছর নভেম্বর মাসের ৪র্থ বৃহস্পতিবারে আমেরিকায় এবং অক্টোবরের ২য়
সোমবারে কানাডায় এই দিনটি পালন করা হয়। থ্যাংকস গিভিং ডে-কে অনেকে আবার দ্য
টার্কি ডেও বলে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে থ্যাংকস গিভিং ডে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক একটা
অনুষ্ঠান।
থ্যাংকস গিভিং ডে'র মূল উদ্দেশ্য,পরিবার,প্রতিবেশী,বন্ধুবান্ধবসহ সবাই একত্রিত হয়ে সবার
জীবনের প্রতিটি সাফল্যের জন্য দেশ ও জাতির সাফল্যের জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানান।
খাবারের তালিকায় থাকে টার্কি রোস্ট,ক্র্যানবেরি সস,মিষ্টি আলুর ক্যান্ডি, স্টাফিং, ম্যাশড পটেটো এবং ঐতিহ্যবাহী পামকিন পাই। টার্কি ময়ূরর মতো বড় সাইজের
বনমোরগ।
![]() |
থ্যাঙ্কস গিভিং –এর লোভনীয়
খাবার গুলি
|




0 comments: