তাহলে হেলমেটের কাজ কী? এই প্রশ্নই
এখন সবার মনের মধ্যে পাক খাচ্ছে। বলের জোরাল আঘাত ও নানা বিধ সমস্যা থেকে মুক্তি
পেতেই হেলমেট ব্যাবহার করেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু সেই হেলমেট পড়া অবস্থাতেই বোলারের
বাউন্সারে যখন প্রাণ দিতে হল তখন স্বভাবতই হেলমেটের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই
যায়। ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানদের মাথার
নিরাপত্তা যে বর্তমান নকশার হেলমেট দিয়ে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়,তা প্রমাণিত হিউজের পরিণতির মধ্য
দিয়ে। অনেকে হিউজের আঘাতটিতে ‘বিরল’ বা ‘ব্যতিক্রম’ বললেও বর্তমান ক্রিকেটে প্রচলিত হেলমেটের নকশার দুর্বলতার ব্যাপারটিই
প্রকাশ্য হয়ে উঠছে বারবার।
অন্যদিকে হেলমেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গুলি হেলমেটের
নকশার এই দুর্বলতার জন্য দায়ী করছেন ক্রিকেট-সংশ্লিষ্টদের ‘ঐতিহ্য-প্রীতি’র
বাতিককেই। তাদের মতে, ক্রিকেটারদের অনীহার কারণেই বহু
গবেষণালব্ধ নকশার হেলমেট বাজারে আনতে পারেনি প্রস্তুতকারীরা। ২০০৯ সালে একটি ওয়ানডে ম্যাচে নতুন ধরনের একটি
হেলমেট পরে মাঠে নেমেছিলেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ব্রিস ম্যাকগ্রেইন। ব্রিস-এর পছন্দ হওয়া সত্ত্বেও সবার বিদ্রূপের
কারণে শেষে হেলমেটটি বাতিল করতে হয়। অনেকে আবার
আইসিসির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। এই দোষারোপের পালায় খেলোয়াড়দের
নিরাপত্তার বিষয়টি আদও কতটা মুখ্য ভূমিকাতে থাকে তা দেখার।
সূত্র- রয়টার্স

0 comments: