শিরোনাম

নতুন করে বাঁধবো বাহু ডোরে

সারাদিনের পরে ক্লান্তি এতটাই ঘিরে ধরে আলাদা করে কোন কিছু করাই বেশ ঝামেলার হয়ে যায়। সাথে থাকে অফিস, বাড়ি, নিজের ছোট্টটির হরেক ঝামেলা বা বাড়ির গুরুজনদের সঙ্গদান। এই এত সবের সাথে যেটাকে আমরা সব থকে বেশি অবহেলা করি তা হল দাম্পত্য জীবনের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত গুলো। কিছু সময়ের পর কাছের মানুষটির সাথে আলাদা করে সময় কাটানকে কেউই গুরুত্ব দেয়না। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন নিজেদের মধ্যে শারীরিক বোঝাপড়া যদি সুস্থ থাকে তাহলে অনায়াসেই পার করা যায় পারিপার্শ্বিক বাকি সব সমস্যা। কি ভাবে ফিরিয়ে আনবেন সম্পর্কের পুরন মাধুর্যকে?
রুটিনের বাইরে চলুন:  অনেকদিনের সম্পর্ক সময়ের সাথে সাথে হয়ে যায় গথে বাঁধা। নতুন মানুষ চেনার মধ্যে যে চমক থাকে তা পরের দিকে নিস্তেজ হয়ে যায়। তা বলে কি আপনি নিজের সঙ্গী বদলাবেন? তাও কি হয়। তাই চেষ্টা করুন অন্য কিছুর। যেমন মিলিত হওয়ার জায়গা বদল করুন। সময় বা ধরনে আনুন পরিবর্তন। শুধু রাতেই কাছে আসার দিব্বি কেউ দেয়নি আপনাকে, চেষ্টা করে দেখুন ইচ্ছে থাকলেই উপায় হবে। দেখবেন দুজন দুজনকে অন্যভাবে আবিষ্কার করবেন।
আগে থাকতেই প্ল্যান করুন:  আপনি জানেন আপনার প্রতিদিনের রুটিন। তাই সঠিক সময়ের জন্য বসে না থেকে আগেই সুন্দর করে একটা প্ল্যান করুন। মুভি দেখে ডিনার করার বদলে লঙ ড্রাইভ বা কিছুটা পাশাপাশি এলোমেলো হাঁটার পরে ডিনার করা যেতে পারে। পুরনো দিনের কথা,প্রথম দিনের আলাপ নতুন করে মনে করলেও পরিবেশ অন্য রকম হয়ে পরে।
সঙ্গীকে সঙ্গ দান একান্ত জরুরি: সাইকো থেরাপিস্টদের মতে আপনি যদি আপনার মনের মানুষটির সাথে ঘনিষ্ঠ সময় না কাটান পরবর্তীকালে তা নিজেদের মধ্যে এক দ্বিধার ভাব তৈরি করবে। তখন দুজনের কাছে দুজনের স্পর্শ অস্বস্তির কারণ হয়েও দাঁড়াতে পারে।

জেল্লা বাড়াতে: পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেক্সোলজিস্টরা বলছেন an orgasm a day keeps the doctor awayআমরা নিয়মিত যেমন দাঁত মাজি,চুল আঁচড়াই তেমনি সেক্সকেও রাখতে হবে রোজনামচায়। ফলে ভাল থাকবে আপনার হার্ট। উন্নতি ঘটবে আপনার চেহারা ও ত্বকে।

0 comments: