শিরোনাম

ব্লগ e-কারণ: উত্থান পর্ব

[ফরফরি কে? গায়ে মাখে না মাথায় মাখে সে বিষয় নিয়ে এই পোস্ট নয়। শুধু এই টুকু বলা যেতে পারে তার নাম-ফরফরি টাইটেল-ক্যামোফ্লাজ। এত দিন ধরে সোশাল নেটওয়ার্ক-এর দেয়ালে দেয়ালে তাকে নিয়ে যেসব টিকা টিপ্পনী ছড়ান হয়েছে অগুলো বাণিজ্যিক ধোঁয়া ছাড়া কিছুই নয়। এক কোথায় যদি বলতেই হয়   ফরফরি => চাঁদ কচু- ভড়ং বাচাল প্রিয় এক বেকার। ফরফরিকে মর্তের জেন্ডার বিভাজিকাতে ফেলতে যাবেন না উনি সে সবের ঊর্ধ্বে। সময় মত তিনি মহিলা-পুরুষ-ক্লীব রূপ ধরতে পারেন।

কিভাবে সে আমাদের বাজে বকুনির একনিষ্ঠ শ্রোতা থেকে একনিষ্ঠ ত্রাতা হয়ে দাঁড়ালো সেই সব নিয়েও এই লেখা নয়। তবে কেন এই পোস্ট! বাংলাzine-এর পোস্ট নিয়ে যখন টানাটানি চলছেকি পোষ্টাই কি পোষ্টাই চিন্তাতে টিম বাংলাzine-এর সকলের এতদিনের লুকিয়ে রাখা বয়স যখন বেড়িয়ে পড়ার উপক্রম ঠিক তখনই ফরফরির আগমন। যেহেতু সে ত্রাতা তাই এই মর মর পরিস্থিতি থেকে আমাদের তাকে বাঁচাতেই হবে। 

সে আগেই শুনেছিল গত ৬৪২ দিন ধরে আমরা  একটা e-মাগ খোলার প্রবল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আর প্রতিবারই গোড়ালিতে ঠোকা-ঠুকি হয়ে পরে যাচ্ছি। তাই শুধু নমুনা হিসেবেই সে এক ব্লগ লেখা শুরু করে। যদিও পরে ব্লগটা পড়ে বোঝা গেল এটি একটি প্রতিবাদী ব্লগ এবং যার প্রতিবাদী অভ্যুত্থান নিয়ে ফরফরি স্বয়ং ও মনে হয় আমরাও বেশ উৎসাহী ছিলাম। ছিলাম বলা এই কারণে ব্লগটি তার নামের আগে চন্দ্রবিন্দু বসিয়ে গত হয়েছে। গত হওয়ার পিছনে যদিও সৃষ্টির মতই ষড়যন্ত্র উপস্থিত তথাপি ধ্বংসের কারণ নিয়ে আবার ও সেই পরে বলব ব্যাপার। দেখছেন কাণ্ড এর মধ্যেই না করে হলেও পরের দুটো পোস্ট এর বিষয় পাওয়া গেল। তবে... একেই বলে ত্রাণকর্তা। জাই হোক প্রচুর ভ্যানভ্যান এর পরে আসল কথা হল কোন এক কারণে ফরফরির ব্লগ ইতি গজ হয়েছে এবং সে চায় তার ব্লগের লেখা গুল আমরা যেন আমাদের  বাংলাzine-এ  তার ব-কলমে লিখে ফেলি। মহৎ সৃষ্টি বলে কথা আমরাও না করে পারলাম না যেখানে পোস্টানো নিয়ে আমাদের ভাঁড়ে মা ভবানী দশা সেখানে বিরল প্রতিভাকে পায়ে ঠেলে কোন শা......... অতএব ফরফরি ব্লগের প্রথম পোস্ট আমাদের বাংলাzine-এর দেওয়ালে নিচে টাঙানো হল।। ] 

[ পূর্বোক্ত ঘটনাবলি পরীক্ষার খাতার আংশিক ঝলক ......... ] 



প্র: ফরফরি।                                                               বাক্য রচনা কর ৫x১=৫ 


উ: যে মাটি থেকে টেক্ অফ্ করার সময় যতটা না ওপরে ওঠে তার থেকে বেশি ফরফর করে আওয়াজ করে তাকে ফরফরি বলে।


[লাল কালিতে শিক্ষক এর মন্তব্য ও সংশোধন]


বাক্য রচনা করতে বলেছি কাকে বলে জিজ্ঞাসা করিনি । বাংলাতে টেক্ অফ্ বলে কোন শব্দ হয়না। (৫/০) 

[১৫ মিনিট পরে]

ছাত্র অথবা স্বয়ং ফরফরি(মাস্টার এর সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদী গলায়): কাকে বলে লিখতে বললেও তো বাক্য গঠনই করা হয় তাহলে ভুল হল কথায়? আর আই লাভ ইউ যদি বাংলা শব্দ হয় তাহলে টেক্ অফ্ ও বাংলা শব্দ।
শিক্ষক : আই লাভ ইউ মোটেই বাংলা শব্দ নয়।
ছা: অথবা ফ:  কে বলল নয়? আই লাভ ইউ বললেই মেয়েরা আজকাল বেশি পটে- আর মেয়েরা হল মায়ের জাত- তাই তারা যে ভাসাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে তাই হল মাতৃ ভাষা অতএব আই লাভ ইউ বাংলা ভাষা।
শিক্ষক : হতচ্ছাড়া কান ছিরে নেব।
ছা: অথবা ফ:  এই সবই আমাকে ফেল করানোর বুর্জোয়া ষড়যন্ত্র।
শিক্ষক : বদমাশ পাজি বুর্জোয়া বানান কর।
ছা: অথবা ফ: জোর বাথরুম পেয়েছে(সজোরে প্রস্থান)। 


[বর্তমান পরিস্থিতি ও ফলাফল]


একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও ফরফরিকে তার নিজের বিষয়ে ভুল ঠিক এর লেকচার শুনতে হচ্ছে। মনের মধ্যে খিদে আর বাথরুম পাওয়ার মত কেমন যেন একটা প্রতিবাদ পাচ্ছে। আমার ফরফরি, আমি ঘোরাব-চরাব না খড়খড়ি দিয়ে ওড়াব সে আমার ব্যাপার, কার বাবার কি! তাই ফরফরি সম্বন্ধে যা বলার ও করার আমি করব এই ব্লগে। আর সব থেকে আগে ওই বুর্জোয়া স্যার কেই এই ব্লগ পড়ার রিকোয়েস্ট পাঠাবো।





2 comments: আপনার মন্তব্য