শিরোনাম

একটা অন্য রকম দীপাবলি

ইপং উৎসব

থাইল্যান্ডের আলোর উৎসবকে বলা হয় লয় ক্রাথং, যেখানে খুশী ও শান্তি কামনা করে প্রদীপ জলে ছাড়া হয়। আর এই আলোর উৎসবটি থাইল্যান্ডের চাংমাই শহরে অন্য ভাবে পালন করা হয়, যেখানে প্রার্থনার পর অসংখ্য ফানুস একসাথে ছাড়া হয়এই আলোর উৎসবটিকে ইপং বলে। প্রতি বছর চাংমাইের মায় জো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে বিরাট ভাবে আয়োজিত হয় ইপং। মনে করা হয়ে, হাজার হাজার ফানুস একসাথে অগনিত মানুষের ইচ্ছা আর প্রার্থনা বয়ে নিয়ে যায় ঈশ্বরের কাছে। সাধারণত, নভেম্বর মাসের পূর্ণিমার রাতে আয়োজিত হয় ইপং, যদিও সঠিক দিনটি মাত্র একমাস আগে ঘোষণা করা হয়ে। আসুন, ইপং এর টুকরো কিছু ছবি আমরা দেখি। 

প্রার্থনারত বৌদ্ধ মঙ্করা

সন্ধ্যার পর কিছু নাচ, গান ও প্রার্থনা দিয়ে আনুস্ঠান শুরু হয়। ছবিতে দেখা যাছে বৌদ্ধ মঙ্করা প্রদীপ নিয়ে প্রার্থনায় ব্যস্ত। প্রার্থনা শেষে তারা ফানুস ওড়ানোর আনুমতি দেন। 

খুশির আলো

সকলের মুখে খুশির হাসি । খুশির আমেজ ফানুসের আলোয়।

উচ্ছ্বাস

সবাই মেতে উঠেছে আনন্দে। সব বয়সের মানুষ এসে জড় হয়েছে এক ফানুসের তলায়।

নানা ভাষা-নানা পরিধান

সারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু ভিনদেশী মানুষ অংশগ্রহন করে এই উৎসবে। জাতি, ধর্ম, দেশ নির্বিশেষে সকলে মেতে উঠেন আনন্দে। 

প্রার্থনা

ফানুস ছাড়ার পূর্বে একটা ছোট প্রার্থনা। 

উড়ে গেলো ফানুস

এক, দুই, তিন ... যা ফানুস যা... মনে সব ইচ্ছা গুলিকে ফানুস বয়ে নিয়ে যাছে ঈশ্বরের কাছে।

   ফানুস ছাড়ার ঠিক পরের মুহূর্ত 

আকাশ ময় জোনাকির মত জ্বলছে হাজার হাজার ফানুস। এ যেন এক অন্য আনন্দময় দিপাবলী!!!


******************
ছবি ও লেখাঃ তানিয়া চ্যাটার্জি
[পরিচিতি: পরিবেশ নিয়ে মাস্টার্স। বেশ কিছু বছর সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে সংসার ও সন্তান নিয়ে ব্যস্ত। নিজেকে তিনি সখের ফটোগ্রাফার বলেন ও ভ্রমণ হল একমাত্র নেশা]



0 comments: