শিরোনাম

২-০ গোলে জিতল ফাটাফাটি অ্যাটলেটিকো দে কোলকাতা

গোলের পর ফিকরুকে অভিনন্দন সতীর্থদের।
সত্যি ফাটাফাটি ফুটবল খেলছে অ্যাটলেটিকো দে কোলকাতা। আজ গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে ফাটাফাটি খেলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল অ্যাটলেটিকো দে মাদ্রিদের কোলকাতা সংস্করণ।

ম্যাচের মাত্র ১৫ মিনিটেই এগিয়ে যায় অ্যাটলেটিকো দে কোলকাতা। লুই গার্সিয়ার অসাধারন লব কে চেস্ট ট্র্যাপ করে নামিয়ে সাইড ভলিতে দূর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গত ম্যাচের নায়ক ফিকরু। আজকের ম্যাচে গোল পাওয়ার পর এখনও অবধি আইএসএল-এ ২ গোল করে শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে উঠে এলেন এই ইথিওপিয়ান স্ট্রাইকারটি ।

বিরতির পর থেকে আক্রমণে চাপ বাড়াতে থাকে নর্থইস্ট ইউনাইটেড। সাউথ কোরিয়ান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ডো কে নামানোর পর আরও দ্রুতগতিতে কোলকাতার বক্সে আক্রমণ শানাতে থাকে কাপদেভিয়ারা। বল পজিশনেও এগিয়ে যায় নর্থইস্টের ফুটবলাররা। ম্যাচের ৭০ মিনিটের মাথায় কাপদেভিয়া প্রায় গোল করেও ফেলেছিলেন কিন্তু অফসাইডের জন্য রেফারি তা বাতিল করে দেন। এরকম অবস্থায় ম্যাচের ৮৪ মিনিটে লিও বার্তোস পিছন থেকে অন্যায়ভাবে বাঁধা দেওয়ার জন্য ম্যাচের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান অ্যাটলেটিকোর স্প্যানিশ তাড়কা বোর্জা ফার্নান্ডেজ। বাকি ৬ মিনিট দশ জনে খেলতে হয় হাবাস বাহিনীকে। কিন্তু ম্যাচ শেষ মহুর্ত সঞ্জু প্রধাণের সাজানো ক্রস থেকে বাঁ পায়ে দূরন্ত শটে গোল করে দলকে ২-০ গোলে জয় এনে দেয় অ্যাটলেটিকো দে কোলকাতার সুপার সাব জ্যাকুব পোদানি।

প্রথমার্ধে বেশ কিছু সহজ গোলের সুযোগ  নষ্ট না করলে লুইস গার্সিয়ারা গোলের সংখ্যা আরও বাড়িয়ে রাখতে পারত। যা পরবর্তী সময়ে কাজে লাগাতে পারত হাবাস বাহিনী।
আগামী রবিবার কোলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে সৌরভের ফুটবল বাহিনী তাদের দ্বিতীয় হোম ম্যাচে মুখোমুখি হবে দেল পিয়েরোর দিল্লি ডায়নামোজের।  

সুইফ্ট মোমেন্ট অব দ্যা ম্যাচ আলেক্সান্দ্রোস জোরভাস
ফিটেস্ট প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ ডং হিয়োন ডো
ইমার্জিং প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ দুর্গা বোরো
হিরো অব দ্যা ম্যাচ - ফিকরু

নর্থইস্ট ইউনাইটেড: তোরভাস, খোংজি, কাপদেভিয়া, কে তোঙ্গা, বি হাওকিপ, জে রালতে, আই চানসা, এম.সিং, কোকে, জে কিনি, ডি বোরো, টি জোস, ডো, বার্তোস।

এটিকে: এস চৌধুরি, ডি ফ্র্যাঙ্কো, অর্ণব মণ্ডল, বি সাহা, জোসেমি, জোফরে, নাটো, লুইস গার্সিয়া, বোর্জা, এফ তেফেরা, বলজিৎ সাইনি, আর্নল লিবার্ট, জ্যাকুব পোদানি, সঞ্জু প্রধাণ।

0 comments: