শুরুটা করেছিল কোলকাতা দুর্দান্ত ছন্দে। লোবো ও ছিলেন
দুর্দান্ত ফর্মে। সেই সূত্র ধরেই ২২ মিনিটের মাথায় কোলকাতার হয়ে গোল করেন বলজিৎ।
একই সঙ্গে আইএসএল-এর প্রথম গোল পেলেন তিনি।
তারপর থেকেই ছবিটা ধীরে ধীরে বদলাতে থাকে। কোলকাতা আক্রমণের ঝড় তুললেও তার
যোগ্য জবাব দিতে শুরু করে সচিনের কেরল ব্লাস্টার্স। ফল হিসেবে ঠিক ৪০ মিনিটে
চমৎকার পায়ের কাজে গোল বক্সে বল ঢোকান আয়ান হিউম। বিরতির আগে পর্যন্ত আক্রমণে
কখনো কোলকাতা আবার কখনো কেরল একে অপরকে টেক্কা দিতে থাকে। ১ মিনিট বর্ধিত সময়েও
সেই দৃশ্য বজায় থাকে।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর পর থেকে রক্ষণাত্মক ধরন বজায়
রেখে খেলে কোলকাতা। এর মধ্যে দুই গোল দাতা কোলকাতার বলজিৎ ও কেরলের হিউম হলুদ
কার্ড দেখেন। আজ খেলা ছিল সব কিছুতেই সমানে সমানে। শুরুর দিকে হলুদ কার্ড-এর খাতা
খোলেন কেরালার রোমে। যা শেষ হয় কোলকাতার রাকেশ মাসি কে দিয়ে।
রাকেশ মাসির আঘাতে মাথায় চোট পেলেন মেহতাব হোসেন।
মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধেই মাঠে থাকলেন তিনি। আজ বহু বার মাঠে উত্তেজতি হতে দেখা যায়
কেরলের খেলোয়াড়, কোলকাতার ছেলে মেহতাব হোসেনকে। মেহেতাবের পাঠানো
কিছু চমৎকার ভাসানো কর্নার যদি কাজে লাগাতে পারত কেরল,তাহলে
আজ খেলা শেষের ছবিটা অন্য রকম হত।
ফলাফল: অ্যাটলেটিকো কলকাতা-১ (বলজিৎ’২২)
---কেরল ব্লাস্টার্স-১ (হিউম’৪১)
“হিরো অফ দ্য ম্যাচ” হলেন কেরল ব্লাস্টার্স-এর হিউম।
অ্যাটলেটিকো কলকাতা: শুভাশিস রায়চৌধুরি,বিশ্বজিৎ সাহা,অর্ণব মণ্ডল,জোসেমি,কিংশুক দেবনাথ,বোর্জা ফার্নান্ডেজ,বলজিৎ সাইনি,জোফ্রে,নাটো,কেভিন লোবো,আর্নাল লিবার্ট।
কেরল ব্লাস্টার্স: ডেভিড জেমস,হেংবার্ট,নির্মল ছেত্রী,ঝিঙ্গান,গুরবিন্দর সিং,রাফায়েল রোমে,স্টিফেন
পিয়ারসন,মেহতাব হোসেন,পেন ওরজি,আয়ান হিউম,গনসালভেস।

0 comments: