শিরোনাম

আপনি কি যথেষ্ট সচেতন ?

অক্টোবর কে ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসাবে গণ্য করা হয়।অলোচনা শুরু করি কয়েকটা তথ্য দিয়ে।
    GLOBOCAN(WHO) এর রিপোর্ট অনুসারে, ২০১২ সালে ৭০২১৮ জন ভারতীও মহিলা মারা যান ব্রেস্ট ক্যানসারে। যা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি !
    বিগত কয়েক বছরে ব্রেস্ট ক্যানসারের আনুমানিক বয়স সীমার পরিবর্তন হয়েছে। ব্রেস্ট ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা ৫০-৭০ বছর বয়সী মহিলার থেকে ৩০ -৫০ বছর বয়সী মহিলাদের মধ্যে এখন বেশি দেখা যাছে।
    অন্য যে কোন ক্যানসারের তুলনায়,ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে ব্রেস্ট ক্যনসার হওয়ার সম্ভাবনা  ২৫% থেকে ৩১% বেশি।(সূত্র -PBCR :2009-11)
আপনি কি এখনও নিজেকে অজ্ঞ রাখতে চান এই বিষয়ে ? ব্রেস্ট ক্যানসারের বীরুধে লড়াই করার এক ও একমাত্র অস্ত্র হল সচেতনতা। অজ্ঞতা থেকে তৈরি ভুল ধারণা ,কিছু ভুল সিধান্ত,ভুল চিকিৎসা বহু মহিলার প্রাণ অকালেই নিয়ে নিয়েছে ।  
ব্রেস্ট ক্যানসার নিয়ে অনেক ভুল ধারণা মানুষের মধ্যে আছে। যেমন-
    টাইট ফিট ব্রা ব্রেস্ট ক্যনসারের অন্যতম কারণ
    বেশী পারফিউম ব্যাবহার ব্রেস্ট ক্যনসারের কারণ হতে পারে
    অল্প বয়সে ব্রেস্ট ক্যনসার হয় না
    ব্রেস্ট ক্যানসার শুধু মাত্র পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে
    ব্রেস্টে যে কোন প্রকার লাম্পই ক্যানসার
মণে রাখুন ব্রেস্টক্যানসার আটকানো যায় না। কিন্তু আপনি নিজে সচেতন থাকলে রোগ খুব তাড়াতাড়ি ধরা পড়বে। প্রথম স্তরে ব্রেস্ট ক্যনসার ধরা পড়লে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে নিরাময় সম্ভব। ২০ বছর বয়সের পর থেকেই মহিলাদের নিয়মিত নিজের ব্রেস্ট পরীক্ষা করা প্রয়োজন। লাম্প বা অস্বাভাবিক কিছু মনে হলে,সময় নষ্ট না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। আর ৪০ বছর বয়সের পর ডাক্তারের পরামর্শে বছরে একবার ম্যামোগ্রাফী করা প্রয়োজন।
ব্রেস্টক্যানসার সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য
    আপনি যদি সদ্য মা হয়ে থাকেন,তাহলে ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে আপনি কিছুটা হলেও  সুরক্ষিত। ইস্স্টোজেন ও প্রোজেস্টন হরমোন অনেকটা সুরক্ষা প্রদান করে
    অল্প বয়সে সন্তান ধারণ করলে ব্রেস্ট ক্যান্সারের সম্ভাবনা কম হয়
    একাধিক সন্তানের মায়েদের ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা কিছু হলেও বেশি থাকে
    পরিবারে কারোর ব্রেস্ট ক্যান্সার থাকলে,নিয়মিত চেক-আপে থাকা প্রয়োজন
    ব্রেস্ট ফিডিং ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
মহিলারা নিজেদের বিষয়ে সচেতন হন। নিজের শরীরের যত্ন ও সুস্থ- স্বাভাবিক জীবন যাপন ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আসুন,নারী পুরুষ নির্বিশেষে আমরা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আরও সচেতন হই। আপনি নিজে ও নিজের পরিবার কে ভালো রাখুন এবং আপনার আশেপাশে সকল কে ভালো রাখার চেষ্টা করুন।




0 comments: