প্রথম পর্বের পরে......
১১)সূচিদেশ- বহুল পরিচিত দন্তেওয়াড়া নামে।পুরাণ মতে,এখানে ছিটকে এসে পড়েছিল দেবীর উপরের পাটির দাঁত। দেবী
এখানে নারায়ণী ও মহাদেব পূজিত হন সংহার রূপে।পঞ্চসাগরে পড়েছিল সতীর নীচের পাটির দাঁত।সতী এখানে
বরাহী এবং শিব মহারুদ্র।দু জায়গাতেই দেবীর আর এক নাম
দন্তেশ্বরী।তবে পঞ্চসাগরের অবস্থান নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে।অনেকের
মতে, কোনও এক যায়গায় রয়েছে এই পুণ্যভূমি।
১২)ভবানীপুর- এই সতীপীঠ এখন বাংলাদেশে।রাজশাহীর করতোয়া নদীর তীরে এই স্থানে দেবীর বাঁ নিতম্ব এবং পোশাক পড়েছিল। দুর্গা এখানে পূজ্য অপর্ণা ও শিবের পরিচয় ভৈরব। কাহিনী অনুসারে,নাটোরের রাজা এই মন্দিরে ধ্যান করতেন।প্রতি বছর রামনবমী উপলক্ষে এখানে বড় মেলা হয়।
১৩) শ্রী পর্বত- দেবীর ডান নিতম্ব ছিটকে এসে পড়েছিল এখানে।দেবীর নাম এখানে সুন্দরী ও শিবের নাম সুন্দরানন্দ।
১৪)কর্ণাট - পুরাণ মতানুসারে,নারায়ণের সুদর্শন চক্রের ঘায়ে সতীর দুই কান এসে পড়ে এখানে । সেখান থেকেই নাম কর্ণাট। শিব পূজিত হন অভিরুক নামে।মনে করা হয় কর্ণাট নাম থেকেই কর্ণাটক নামের উৎপত্তি।বর্তমানে এই তীর্থক্ষেত্রটি মাইসোরে চামুণ্ডি পাহাড়ের উপরে।
১৫)বৃন্দাবন- বৈষ্ণব তীর্থক্ষেত্র হলেও এর আর এক পরিচয় শক্তি পীঠ বলে।সতীর কেশরাশি পড়েছিল এখানে।দেবী এখানে উমা ও শিব পূজ্য ভূতেশ নামে।
১৬)কিরীটেশ্বরী- মুকুটসহ দেবীর শিরোভূষণ পড়েছিল এখানে ।বর্তমান অবস্থান মুর্শিদাবাদের আজিমগঞ্জে ।মূল মন্দির ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে লালগোলার রাজা দর্পনারায়ণ নতুন করে মন্দির নির্মাণ করেন।দেবীর পরিচয় এখানে কিরীটেশ্বরী/মুকুটেশ্বরী ও শিব পূজিত হন সংবর্ত রূপে।
১৭)শ্রীহট্ট- এই নামই এখন সিলেট।সুরমা নদীর তীরে বাংলাদেশের অন্যতম জেলা।এখানেই পড়েছিল সতীর ঘাড়ের একাংশ।দুর্গার নাম এখানে মহালক্ষ্মী এবং শিব সর্বানন্দ।শিবরাত্রি এবং অশোক অষ্টমী উপলক্ষে প্রতিবছর মেলা হয়।
১৮)নলহাটি- বীরভূমের এই স্থানও শক্তিপীঠ।কথিত,সতীর কণ্ঠনালী পড়েছিল এখানে।দেবী দুর্গা এখানে কালিকা এবং শিব হলেন যোগেশ।
১৯)কাশ্মীর - সতীর ঘাড়ের আর এক অংশ পড়েছিল এখানে।দেবীর নাম এখানে মহামায়া এবং ত্রিসন্ধ্যাস্ভর।তীর্থের নাম অমরনাথ।এই শৈব তীর্থ আসলে একটি শক্তিপীঠও বটে।
২০)রত্নাবলী- এই শক্তিপীঠের অবস্থান নিয়ে রয়েছে দ্বন্দ্ব।কোনও কোনও মতে,এই তীর্থক্ষেত্র তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে।কোনও কোনও মতে এই তীর্থক্ষেত্র বাংলার হুগলিতে।রত্নাকর নদীর তীরে।দেবী দুর্গা এখানে কুমারী এবং শিব হলেন ভৈরব।
১২)ভবানীপুর- এই সতীপীঠ এখন বাংলাদেশে।রাজশাহীর করতোয়া নদীর তীরে এই স্থানে দেবীর বাঁ নিতম্ব এবং পোশাক পড়েছিল। দুর্গা এখানে পূজ্য অপর্ণা ও শিবের পরিচয় ভৈরব। কাহিনী অনুসারে,নাটোরের রাজা এই মন্দিরে ধ্যান করতেন।প্রতি বছর রামনবমী উপলক্ষে এখানে বড় মেলা হয়।
১৩) শ্রী পর্বত- দেবীর ডান নিতম্ব ছিটকে এসে পড়েছিল এখানে।দেবীর নাম এখানে সুন্দরী ও শিবের নাম সুন্দরানন্দ।
১৪)কর্ণাট - পুরাণ মতানুসারে,নারায়ণের সুদর্শন চক্রের ঘায়ে সতীর দুই কান এসে পড়ে এখানে । সেখান থেকেই নাম কর্ণাট। শিব পূজিত হন অভিরুক নামে।মনে করা হয় কর্ণাট নাম থেকেই কর্ণাটক নামের উৎপত্তি।বর্তমানে এই তীর্থক্ষেত্রটি মাইসোরে চামুণ্ডি পাহাড়ের উপরে।
১৫)বৃন্দাবন- বৈষ্ণব তীর্থক্ষেত্র হলেও এর আর এক পরিচয় শক্তি পীঠ বলে।সতীর কেশরাশি পড়েছিল এখানে।দেবী এখানে উমা ও শিব পূজ্য ভূতেশ নামে।
১৬)কিরীটেশ্বরী- মুকুটসহ দেবীর শিরোভূষণ পড়েছিল এখানে ।বর্তমান অবস্থান মুর্শিদাবাদের আজিমগঞ্জে ।মূল মন্দির ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে লালগোলার রাজা দর্পনারায়ণ নতুন করে মন্দির নির্মাণ করেন।দেবীর পরিচয় এখানে কিরীটেশ্বরী/মুকুটেশ্বরী ও শিব পূজিত হন সংবর্ত রূপে।
১৭)শ্রীহট্ট- এই নামই এখন সিলেট।সুরমা নদীর তীরে বাংলাদেশের অন্যতম জেলা।এখানেই পড়েছিল সতীর ঘাড়ের একাংশ।দুর্গার নাম এখানে মহালক্ষ্মী এবং শিব সর্বানন্দ।শিবরাত্রি এবং অশোক অষ্টমী উপলক্ষে প্রতিবছর মেলা হয়।
১৮)নলহাটি- বীরভূমের এই স্থানও শক্তিপীঠ।কথিত,সতীর কণ্ঠনালী পড়েছিল এখানে।দেবী দুর্গা এখানে কালিকা এবং শিব হলেন যোগেশ।
১৯)কাশ্মীর - সতীর ঘাড়ের আর এক অংশ পড়েছিল এখানে।দেবীর নাম এখানে মহামায়া এবং ত্রিসন্ধ্যাস্ভর।তীর্থের নাম অমরনাথ।এই শৈব তীর্থ আসলে একটি শক্তিপীঠও বটে।
২০)রত্নাবলী- এই শক্তিপীঠের অবস্থান নিয়ে রয়েছে দ্বন্দ্ব।কোনও কোনও মতে,এই তীর্থক্ষেত্র তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে।কোনও কোনও মতে এই তীর্থক্ষেত্র বাংলার হুগলিতে।রত্নাকর নদীর তীরে।দেবী দুর্গা এখানে কুমারী এবং শিব হলেন ভৈরব।

0 comments: