শিরোনাম

আদা কাহিনী

আসছে ঋতু বদলের সময়। সর্দিকাশি গলা খুসখুস লেগেই থাকবে। আর এই সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে আদার মত উপকারী আরকে আছে। কিন্তু আমাদের অতি পরিচিত আদার গুণ যে বলে শেষ করা যায়না। আদায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। এ ছাড়া আছে যথেষ্ট পরিমাণ আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মতো খনিজ পদার্থ। জিঙ্ক এবং ম্যাঙ্গানিজও আছে সামান্য।

আর্থারাইটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রেও ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে আদা। এ ছাড়া চুল পড়া বন্ধ করে ও বমিরোধক হিসেবেও আদা উপকারী। রক্তের অণুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা দারুণ কার্যকর। রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে খেলে বাড়বে হজমশক্তি। আমাশয়, জন্ডিস ও পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

এত কিছু গুণ থাকা সত্ত্বেও আদাকে বেশি দিন টাটকা রাখা যায়না। এছাড়া অনেকেই আদার ঝাঁজ ভাবের জন্য খেতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে আপনি আদার জুস করে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। এতে জুসটি অনেক দিন ভাল থাকবে আর স্বাদও অনেক উপাদেয় হবে।



আদা জুস


উপকরণ: কমলা ৩টা, আদা ১ ইঞ্চি পরিমাণ, গাজর ৩টা, আপেল ২টা, পুদিনা পাতা পরিমাণ মত, ফলের কুচি পরিমাণ মত, নুন স্বাদ মত।

প্রণালী: কমলা , আপেল, গাজর ও আদাকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। তারপর জুসারে দিয়ে রস বার করে ছেঁকে নিন। এই জুস আপনি ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। পরিবেশন করার আগে ফ্রিজ থেকে বের করে রুম টেম্পারেচারে রেখে কিছু ক্ষণ রেখে দিতে হবে। তারপর রসটি একটি গ্লাসে ঢেলে তাতে কুচি করে কাতা পুদিনা পাতা দিতে হবে। ছোট পিস করে রাখা বাড়তি ফলগুলো গ্লাসে ঢেলে দিতে হবে। স্বাদ মত নুন ছড়িয়ে পরিবেশন করুন আদার জুস।


0 comments: