অনাদিকাল থেকে দেবী দুর্গাকে মহাবিশ্বের জননী হিসেবে বিশ্বাস করা হয়। যজুর্বেদ, তৈত্তিরীয় ব্রাহ্মণ এবং ভজসানেয়ী সম্হিতা ইত্যাদি ধর্মগ্রন্থে দুর্গাকে সৃষ্টি, সংরক্ষণ এবং ধ্বংসের অদ্বিতীয় প্রতীক হিসেবে উপাসনা করা হয়েছে।
সংস্কৃত শব্দে "দুর্গা" অর্থাৎ একটি কেল্লা, বা এমন একটি জায়গা যা পদদলিত করা কঠিন। "দুর্গা"র আরেকটি আক্ষরিক অনুবাদ “দুর্গতিনাশিনী” জার অর্থ দুর্গতি নাশ করেন যিনি। সুতরাং, হিন্দু দেবী দুর্গা তাঁর উপাসক মণ্ডলীকে বিশ্বের মন্দ কাজ থেকে এবং দুর্দশা থেকে রক্ষা করেন।
হিন্দু শাস্ত্রে দেবী দুর্গার কালী, ভগ্ভতি, ভভানি, অম্বিকা, ললিত, গুরি, কন্দোলিনি, জাভা, রাজেশ্বরী ইত্যাদি একাধিক রূপের উল্লেখ করা হয়েছে। মহিষাসুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেবী তাঁর অপর নয় রূপ স্কন্দমাতা, কুসুমান্দা, শায়লাপুত্রী, কালরাত্রি, ব্রহ্মচারিনি, মহা গুরি, কাত্যাঞানী, চন্দ্রঘণ্টা এবং সিদ্ধিদাত্রী থেকে শারীরিক শক্তি একত্রিত করেন।
ধর্মীয় মতে দেবী দশভুজা, যার মাধ্যমে দেবী দশদিক থেকে মানব জাতিকে রক্ষা করবেন।মহাদেবের মতই দেবীও ত্র্যম্বকে অর্থাৎ ত্রিনয়নী। বাম চোখ ইচ্ছা(চাঁদ), ডান চোখ কর্ম(সূর্য) এবং কেন্দ্রীয় চোখ জ্ঞান(অগ্নি) এর প্রতিনিধিত্ব করে। সিংহ ক্ষমতা, ইচ্ছা এবং সংকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে। সিংহ চড়ে দেবী সকল অহং রূপি দৈত্যের বধ করেন।
দেবী দুর্গার হাতের শাঁখ ওঁ এর প্রতীক স্বরূপ, যা সমগ্র জগতে শব্দের সঙ্গে ঈশ্বরের সংযোগের উপস্থিতি উল্লেখ করে। তীর ও ধনুক শক্তির প্রতীক যা ধারণ করে শক্তির উভয় দিকের উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ ইঙ্গিত করেন। বজ্র, কাঠিন্য প্রকাশ করে। দুর্গার ভক্তি বজ্রের মত দৃঢ় হতে শিক্ষা দেয়। বজ্র দৃঢ় কঠিন হয়ে সকল বাধা বিঘ্নকে নিমেষে সরিয়ে দেয় কিন্তু নিজে শেষ পর্যন্ত অবিচল থাকে। দুর্গার হাতের আধফোটা পদ্ম সাফল্যের নিশ্চয়তার প্রতীক। পদ্ম পাঁকে জন্মায় তাই সংস্কৃতে পদ্মের ওপর নাম পঙ্কজ। তাই পদ্ম পার্থিব লোভ, লালসা দূরে সরিয়ে রেখে ভক্তের মনে ভক্তি ও ভাবনার উন্মেষ ঘটায়। সুদর্শন-চক্র মন্দের ধ্বংস এবং ন্যায়পরায়ণতা বৃদ্ধি সহায়ক প্রতীক হিসেবে পরিচিত । দুর্গার হাতের ঝুলন্ত তলোয়ার জ্ঞানের চিহ্নস্বরূপ, জ্ঞান যা সমস্ত সন্দেহ থেকে মুক্ত করে । দুর্গার ত্রিশূল তিনটি গুণাবলীর একটি প্রতীক – সত্ব(নিষ্ক্রিয়তা), রজস(কার্যকলাপ), তমস(অ-কার্যকলাপ)- দেবী দুর্গা তাঁর ত্রিশূল এর মাধ্যমে এই তিন দুর্দশাকে শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখেন।
সিংহের উপরে দণ্ডায়মান জগৎ জননী দেবী দুর্গা তাঁর অভয়া মুদ্রার দ্বারা সমগ্র মানব জাতিকে নির্ভীক হয়ে সমস্ত কর্তব্য পালনের উপদেশ দেন।
সংস্কৃত শব্দে "দুর্গা" অর্থাৎ একটি কেল্লা, বা এমন একটি জায়গা যা পদদলিত করা কঠিন। "দুর্গা"র আরেকটি আক্ষরিক অনুবাদ “দুর্গতিনাশিনী” জার অর্থ দুর্গতি নাশ করেন যিনি। সুতরাং, হিন্দু দেবী দুর্গা তাঁর উপাসক মণ্ডলীকে বিশ্বের মন্দ কাজ থেকে এবং দুর্দশা থেকে রক্ষা করেন।
হিন্দু শাস্ত্রে দেবী দুর্গার কালী, ভগ্ভতি, ভভানি, অম্বিকা, ললিত, গুরি, কন্দোলিনি, জাভা, রাজেশ্বরী ইত্যাদি একাধিক রূপের উল্লেখ করা হয়েছে। মহিষাসুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেবী তাঁর অপর নয় রূপ স্কন্দমাতা, কুসুমান্দা, শায়লাপুত্রী, কালরাত্রি, ব্রহ্মচারিনি, মহা গুরি, কাত্যাঞানী, চন্দ্রঘণ্টা এবং সিদ্ধিদাত্রী থেকে শারীরিক শক্তি একত্রিত করেন।
ধর্মীয় মতে দেবী দশভুজা, যার মাধ্যমে দেবী দশদিক থেকে মানব জাতিকে রক্ষা করবেন।মহাদেবের মতই দেবীও ত্র্যম্বকে অর্থাৎ ত্রিনয়নী। বাম চোখ ইচ্ছা(চাঁদ), ডান চোখ কর্ম(সূর্য) এবং কেন্দ্রীয় চোখ জ্ঞান(অগ্নি) এর প্রতিনিধিত্ব করে। সিংহ ক্ষমতা, ইচ্ছা এবং সংকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে। সিংহ চড়ে দেবী সকল অহং রূপি দৈত্যের বধ করেন।
দেবী দুর্গার হাতের শাঁখ ওঁ এর প্রতীক স্বরূপ, যা সমগ্র জগতে শব্দের সঙ্গে ঈশ্বরের সংযোগের উপস্থিতি উল্লেখ করে। তীর ও ধনুক শক্তির প্রতীক যা ধারণ করে শক্তির উভয় দিকের উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ ইঙ্গিত করেন। বজ্র, কাঠিন্য প্রকাশ করে। দুর্গার ভক্তি বজ্রের মত দৃঢ় হতে শিক্ষা দেয়। বজ্র দৃঢ় কঠিন হয়ে সকল বাধা বিঘ্নকে নিমেষে সরিয়ে দেয় কিন্তু নিজে শেষ পর্যন্ত অবিচল থাকে। দুর্গার হাতের আধফোটা পদ্ম সাফল্যের নিশ্চয়তার প্রতীক। পদ্ম পাঁকে জন্মায় তাই সংস্কৃতে পদ্মের ওপর নাম পঙ্কজ। তাই পদ্ম পার্থিব লোভ, লালসা দূরে সরিয়ে রেখে ভক্তের মনে ভক্তি ও ভাবনার উন্মেষ ঘটায়। সুদর্শন-চক্র মন্দের ধ্বংস এবং ন্যায়পরায়ণতা বৃদ্ধি সহায়ক প্রতীক হিসেবে পরিচিত । দুর্গার হাতের ঝুলন্ত তলোয়ার জ্ঞানের চিহ্নস্বরূপ, জ্ঞান যা সমস্ত সন্দেহ থেকে মুক্ত করে । দুর্গার ত্রিশূল তিনটি গুণাবলীর একটি প্রতীক – সত্ব(নিষ্ক্রিয়তা), রজস(কার্যকলাপ), তমস(অ-কার্যকলাপ)- দেবী দুর্গা তাঁর ত্রিশূল এর মাধ্যমে এই তিন দুর্দশাকে শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখেন।
সিংহের উপরে দণ্ডায়মান জগৎ জননী দেবী দুর্গা তাঁর অভয়া মুদ্রার দ্বারা সমগ্র মানব জাতিকে নির্ভীক হয়ে সমস্ত কর্তব্য পালনের উপদেশ দেন।

0 comments: