![]() |
| মূর্তি, ছবি-গুগল |
এক
পাশে খুনিয়া আর অন্য পাশে গরুমারা অরণ্য। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে চঞ্চলা কিশোরীর
মত মূর্তি নদী। আর সব কিছুর মাঝামাঝি এক
স্থানে অবস্থিত ‘বনানী’। মূর্তির বন বাংলো। সেই বন বাংলোর দোতলার
ব্যালকনিতে নিশ্চুপ বসে,মোহময়ী মূর্তির কুল কুল ধ্বনি,বুনো সবুজ সৌন্দর্য,আর সব নাম না জানা পাখিদের মাজে মধ্যেই বিভিন্ন ডাক মনকে উতলা করে দেয়।
মাঝে মাঝে বন্য হাতির জল নিয়ে মাতা মাতি চোখে পরে। এত কিছুর মধ্যে দিনটা যে কি
ভাবে বয়ে যাবে তা বোঝাই যায়না।
![]() |
| মূর্তি নদী, ছবি-গুগল |
মূর্তিতে
আছে ক্যাম্প করে থাকার সুবিধা। জোট বেঁধে ক্যাম্পে থেকে প্রকৃতি নিবিড়তাকে উপভোগ
করার সুযোগ কেই বা হাত ছাড়া করতে চায়। আর সব সুযোগ সুবিধাতে সাহায্য করার জন্য বন
দফতরের কর্মীরা ত আছেনই।
মূর্তি
থেকে বেড়ানো যায় খুনিয়ার চন্দ্রচূড় মিনার,চাপড়া মারি বন বাংলো,ঈগল নজর
মিনার, ওয়াইল্ডারনেস ক্যাম্প, কুমাই,
ঝালং, বিন্দু, রকি
আইল্যান্ড। খোঁজখবর করে ডুয়ার্সের আরও অনেক নাম না জানা জায়গায় যাওয়া যেতে পারে
মূর্তি থেকেই। ফেরার সময়ে বাতাবাড়ি চা বাগান, গরুমারায় যাত্রা
প্রসাদ টাওয়ার ও দেখার মত।
![]() |
| মূর্তি ব্রিজ, ছবি-গুগল |
কি
ভাবে যাবেন? শিলিগুড়ি থেকে মূর্তি ৮০ কিলোমিটার। শিলিগুড়ির মিত্তাল টার্মিনাস থেকে
বাসে চালসা। সেখান থেকে জিপ বা ট্রেকার ভাড়া করা যায়। এন জে পি ও শিলিগুড়ি থেকে
সরাসরি গাড়ি ভাড়া নিয়েও যাওয়া যায়।
কোথায়
থাকবেন? ১৫ই জুন থেকে ১৫ই সেপ্টেম্বর
জঙ্গল বন্ধ। এই সময়টুকু ছাড়া সারা বছরই দরজা খোলা মূর্তি বন বাংলোর। সুসজ্জিত ৯টি
দ্বি শয্যার ঘর ছাড়াও এখানে আছে জঙ্গল ও নদীমুখো ২টি কটেজ। এই মনোরম পরিবেশে
কয়েকটা ছুটির দিন কাটাতে গেলে আগাম বুকিং করতে হবে। মনে রাখা দরকার, এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-নভেম্বর মাসে পর্যটক সমাগম বাড়ে।
এই
বন বাংলো ছাড়াও রয়েছে ছোট মাপের কটেজ রেতি ও ডায়ানা। হালে আরও একটি কটেজ তৈরি
করেছে বন দফতর।
![]() |
| মূর্তি বন বাংলো, ছবি-গুগল |
সরকারি
উদ্যোগ ছাড়াও মূর্তিতে এখন উত্তর ধূপ ঝোরার গ্রাম পঞ্চায়েত পরিচালিত মূর্তি পর্যটন
আবাস, বনশ্রী,
ডুয়ার্স নেস্ট, মূর্তি রিভার বেডের মতো জায়গায়
থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
যোগাযোগ: পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন
উন্নয়ন নিগম
ফোন:
০৩৫৩ ২৫১৬৩০৬ এবং বীরেন রায়,উত্তর ধূপঝোরা,
ফোন:
৯৭৩৩১ ৫৭৮৩৮
কোথায়
কি? মূর্তির কাছাকাছি বেশ কয়েকটি
দর্শনীয় জায়গা আছে। এর মধ্যে ঘুরে আসা যায়:
১০
কিলোমিটার দূরের খুনিয়া নজরমিনার। এখানে দাড়িয়ে দেখা মিলতে পারে বন্য জন্তুর।
জলদাপাড়া
অভয়ারণ্য।
১৫
কিলোমিটার দূরের গরুমারা অভয়ারণ্য।
৬
কিলোমিটার দূরের চাপড়ামাড়ি অভয়ারণ্য।




0 comments: